MATCH TYPE – STANDARD
MATCH TIME – 8 MINUTES
INJURIES – ON
EXTRA TIME & PK – OFF
NO. OF SUB INTERVALS – 3
NO. OF SUBSTITUTES – 5
CONDITION : HOME – NORMAL
CONDITION : AWAY – NORMAL
EXTRA TIME & PK – OFF
ম্যাচ চলাকালীন/ম্যাচ শেষে রুম সেটিংস সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়। তবে যদি কোনো প্লেয়ার নিজের ফর্ম ভালো দিয়ে অপ্পনেন্টের ফর্ম খারাপ দেয় তবে প্রমাণ সাপেক্ষে অটো লস পাবে।
নিম্নোক্ত বাটন এ ক্লিক করে ওঅপনেন্ত কে খোজে ভিডিও এর সাথে ইনফো মিলাবেন।
ম্যাচ মিনিট বাকি থাকা অবস্থায় উক্ত ম্যাচে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ম্যাচ রেজাল্ট ডিসকানেকটেড/নেটওয়ার্ক লস জাতীয় কিছু শো করলে ভিডিও দিতে হবে।
পূর্ণ ম্যাচ শেষে জয়লাভ করলে ভিডিও দিতে হবে।
পূর্ণ ম্যাচ শেষে ড্র করলে উভয় প্লেয়ারকে ভিডিও দিতে হবে।
নোট: ম্যাচ মিনিট বাকি থাকা অবস্থায় — গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ম্যাচ রেজাল্ট উইন/আনফিনিশড/“ডিসকানেকটেড/নেটওয়ার্ক লস ব্যতীত” অন্য কিছু শো করলে ভিডিও দেয়ার প্রয়োজন নেই। এছাড়া, গোল ব্যবধানে সমতা/পিছিয়ে থেকে “ডিসকানেকটেড/নেটওয়ার্ক লস” হলে শুধুমাত্র ল্যাগ/স্লো প্রমাণের জন্য ভিডিও দিতে হবে, আইডি-ডিভাইস প্রদর্শন করার প্রয়োজন নেই।
স্ক্রিনরেকর্ডে তিন ধরনের তথ্য দেখানো বাধ্যতামূলক—
রুম আইডি/ম্যাচ শেষের রেজাল্ট পেইজ/ইন ম্যাচ পেইজ/ডিসকানেকটেড পেইজ [শুধুমাত্র ম্যাচ হিস্টোরি পেইজ গ্রহণযোগ্য নয়] নিজের “Konami User ID”
ফোন সেটিংস > এবাউট ফোন > ফোন মডেলের নাম প্রদর্শন
ম্যাচ শুরুর পূর্বে/ডিসকানেকটেড অবস্থা/ম্যাচ শেষে স্ক্রিনরেকর্ড করতে হবে। তবে একই ভিডিওতে উল্লেখিত তিন ধরনের তথ্য থাকতে হবে। খন্ড-খন্ড ভিডিওতে খন্ড খন্ড তথ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
ম্যাচ পরবর্তী সর্বোচ্চ ‘১০মিনিটের মধ্যে’ ভিডিও সেন্ড/সেন্ডিং অবস্থার ‘মেসেঞ্জার স্ক্রিনশট’ ম্যাচডে গ্রুপে প্রেরণ করতে হবে।
নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ভিডিও/স্ক্রিনশট প্রেরণ করতে ব্যর্থ হলে এবং ম্যাচ পরবর্তী সর্বোচ্চ ১৫ মিনিটের মধ্যে অপ্পনেন্ট দলের রেফারি/রেজিস্ট্রার যেকোনো প্লেয়ার ম্যাচ গ্রুপে “ভিডিও না দেয়া বিষয়ক” অভিযোগ জানালে রিম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ১৫মিনিট পরে অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়, রেজাল্ট কাউন্ট হবে
নোট ১: ম্যাচ শেষে লোডিং/ব্লাক স্ক্রিন শো করলে ঐ অবস্থা থেকে ভিডিও শুরু করতে হবে এবং কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে গেইম কেটে পুনরায় গেইমে ঢুকে ইউজার আইডি এবং এবাউট ফোন থেকে ডিভাইস মডেল প্রদর্শন করতে হবে।
নোট ২: ম্যাচ রেজাল্ট পেইজ থেকে ভিডিও শুরু করা অবস্থায় যদি ম্যাচ রুমে ঢুকতে অনেক সময় লাগে তবে অপেক্ষা না করে গেইম কেটে দিতে পারবেন। পুনরায় গেইমে ঢুকে Extras অথবা স্টার্টস্ক্রিন থেকে ইউজার আইডি এবং এবাউট ফোন থেকে ডিভাইস মডেল প্রদর্শন করতে হবে। উল্লেখ্য, এক্ষেত্রে অবশ্যই ভিডিওতে ম্যাচ রেজাল্ট/ম্যাচ স্ট্যাট পেইজ থাকতে হবে।
নোট ৩: ম্যাচ শেষে অপ্পনেন্ট ম্যাচ রুম ক্লোজ করলে ম্যাচ রেজাল্ট পেইজ থেকে ভিডিও শুরু করা না থাকলে রুম ক্লোজ অবস্থা থেকে ভিডিও শুরু করতে হবে এবং গেইমের Extras অথবা স্টার্টস্ক্রিন থেকে কোনামি ইউজার আইডি এবং এবাউট ফোন থেকে ডিভাইস মডেল প্রদর্শন করতে হবে।
নোট ৪: একাধিক ভিডিও প্রেরণ করলে সমস্যা নেই। তবে ১০ মিনিট সময়সীমার মধ্যে “প্রেরিত একটি ভিডিও”তে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য থাকতে হবে।
উভয়পক্ষ নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে স্ক্রিনরেকর্ড প্রদান না করলে অথবা ‘সঠিকভাবে’ স্ক্রিনরেকর্ড দিতে ব্যর্থ হলে ম্যাচ ড্র থাকবে।
একপক্ষ নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে স্ক্রিনরেকর্ড প্রদান না করলে অথবা ‘সঠিকভাবে’ স্ক্রিনরেকর্ড দিতে ব্যর্থ হলে এবং অপ্পনেন্ট নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে অভিযোগ জানালে ১ গোল বোনাস পাবে। সেক্ষেত্রে নতুনভাবে ০ মিনিট ও ০-০ স্কোর নিয়ে রিম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এবং ম্যাচ শেষে ১গোল যোগ করে চূড়ান্ত রেজাল্ট ধার্য্য হবে।
গোল বোনাস নিয়ে অনুষ্ঠিত রিম্যাচে বোনাস গ্রহীতা পরাজিত হলে (ওভারঅল রেজাল্ট ড্র) গ্রহীতার জন্য রিম্যাচ শেষে ভিডিও দেয়ার প্রয়োজন নেই।
রিম্যাচের মিনিট ও স্কোর নির্ধারণ: ১) পূর্ণ ম্যাচ শেষে ভিডিও ব্যর্থতার কারণে একদম নতুন করে ০ মিনিট ও ০-০ স্কোর নিয়ে রিম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ২) ম্যাচ মিনিট বাকি থাকা অবস্থায় শুধুমাত্র যেটুকু রিম্যাচের প্রয়োজনীয় ভিডিও প্রদানে ব্যর্থ হবে শুধুমাত্র সেটুকু ম্যাচের মিনিট ও সেটুকু ম্যাচের উভয়পক্ষের স্কোর বাতিল করে পুনরায় বাকি মিনিটের রিম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
উদাহরণ ১: ‘ক’ ৪-১ ‘খ’; ২০ মিনিটের সময় ‘খ’ ডিসকানেকটেড। বাকি মিনিট রিম্যাচ খেলার জন্য এই ২০মিনিট ও ৪-১ স্কোর সর্বদা কাউন্টেড হিসেবে বিবেচ্য হবে।
উদাহরণ ২: ২০মিনিটে ৪-১ স্কোর (‘ক’ লীড) নিয়ে ৭৩ মিনিটের রিম্যাচ শুরু করে ৩৩ মিনিটে ১-১ স্কোর নিয়ে ‘ক’ ডিসকানেক্টেড হলেও ‘ক’ কে ভিডিও প্রমাণ দিতে হবে না। কারণ উক্ত রিম্যাচ ড্র অবস্থায় ডিসকানেকটেড হয়েছে এবং ম্যাচ মিনিট বাকি আছে। কিন্তু ৭৩ মিনিট শেষে ‘ক’ ১-১ স্কোর নিয়ে ডিসকানেকটেড হলে ভিডিও প্রমাণ দিতে হবে, কারণ তখন সম্পন্ন ম্যাচের রুলস প্রয়োগ হবে। এক্ষেত্রে যদি ৭৩ মিনিট শেষে ‘খ’ ডিসকানেকটেড হয় তবুও ম্যাচ সম্পন্ন ম্যাচ বিধায় ‘ক’ কে ভিডিও প্রমাণ দিতে হবে এবং সম্পন্ন ম্যাচের ভিডিও রুলস প্রয়োগ হবে।
প্রয়োজনে ড্রাইভে আপলোড করে ভিডিও দেয়া যাবে।
প্রয়োজনে অন্য কোনো ডিভাইস থেকে ভিডিও করা যাবে। তবে ভিডিও স্পষ্ট হতে হবে এবং একই ভিডিওতে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য থাকতে হবে।
প্রেরণকৃত ভিডিও বিষয়ে ভিডিও প্রেরণ সময় পরবর্তী সর্বোচ্চ ২০মিনিট পর্যন্ত অভিযোগ জানানো যাবে।
এডিটেড ভিডিও (যেমন: ম্যাচ রেজাল্ট, ম্যাচ রুম, ইউজার আইডি বা ডিভাইস যুক্ত করা বা এডিট) প্রদান করলে অটো লস ও কমপক্ষে ৩০ দিন থেকে সর্বোচ্চ স্থায়ীভাবে ব্যান করা হতে পারে। উল্লেখ্য লং ভিডিও শর্ট করা, ভিডিও মিউট করা অপরাধ হিসেবে বিবেচ্য হবে না। এছাড়া, প্রক্সি বা কোনো অপরাধ বিষয়ে তদন্তের জন্য ভিডিও যেকোনো সময় ব্যবহার হতে পারে।
ম্ল্যাগ/স্লো হলে স্ক্রিন রেকর্ডার চালু করে স্পষ্ট প্রমাণ রেখে অতঃপর গেম পজ করে ম্যাচ ডিসকানেক্ট করতে হবে। তবে ল্যাগ/স্লো প্রমাণ ব্যতীত অন্য ‘যেকোনো ইস্যুতে’ ডিসকানেকটেড করায় অপ্পনেন্ট অফিশিয়াল/ম্যাচডে এডমিন ইয়োলো কার্ড দিতে পারবে।
ম্যাচের বাকি মিনিটের জন্য মোট ৯৩মিনিট থেকে সম্পন্ন মিনিট বিয়োগ করে বাকি সময়টুকু রিম্যাচের প্রথম থেকে খেলতে হবে। অবশ্যই ম্যাচটাইম নির্ধারণ করে নিতে হবে এবং প্রয়োজনে গেইমের স্কোয়াড/ম্যানেজার/ফরমেশন পরিবর্তন করা যাবে।
একাধিকবার ডিসকানেক্ট অভিযোগে একাধিকবার কার্ড দেয়া যাবে। তবে রিম্যাচ শুরুর পূর্বে কার্ড প্রদান করতে হবে।
ডিসকানেকটেড ম্যাচে রুম ক্রিয়েট করার ক্ষেত্রে কার পায়ে বল ছিলো বিবেচ্য হবে না। যার Win শো করবে রিম্যাচে তার ইচ্ছায় রুম ক্রিয়েট করতে হবে।
স্কোরবোর্ডে যুক্ত অথবা বল গোলবারের মধ্যে স্ক্রিনশট বা স্ক্রিনরেকর্ড দ্বারা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত সকল গোল কাউন্ট হবে। অনেক সময় একপক্ষ ডিসকানেকটেড হবার পরেও কিছুসময় গেইম চলতে থাকে। সেক্ষেত্রে গোল প্রুভ দিতে পারলে গোল কাউন্ট হবে। কিন্তু রিম্যাচের নির্ধারিত সময়ের ১সেকেন্ড পরবর্তী গোল কাউন্ট হবে না।
১টু১ অবস্থা/শট নেয়ার অবস্থা/ফ্রি স্পেস অবস্থায় অপ্পনেন্ট ডিসকানেকটেড হলে কমিটি থেকে গোল বিষয়ক সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এক্ষেত্রে ‘গোলকিপার সেইভ দিতে পারতো’, ‘বল বাইরে যেতো পারতো’, ‘বারে লাগতো পারতো’ এসব বিষয় বিবেচনা করা হবে না। যে ডিসকানেকটেড/লস হবে তাকে দায়ভার গ্রহণ করতে হবে। তবে আনফিনিশড/এই জাতীয় অন্য কিছু আসলে তার দায়ভার নিতে হবে না।
সময় অপচয়ের জন্য ব্যাকপাস খেলা নিষিদ্ধ। স্পষ্ট ভিডিও প্রমাণ দ্বারা অভিযোগ প্রমাণিত হলে যেসময় থেকে ব্যাকপাস খেলা শুরু করছে ও যেসময় শেষ করছে তা ক্যালকুলেশন করে সাথে ৩ গুন বা তার বেশি অতিরিক্ত সময় শাস্তি হিসেবে [পরিস্থিতি অনুযায়ী কমিটি থেকে সময় নির্ধারিত হবে] যুক্ত করে রিম্যাচ হবে এবং অভিযুক্তকে হলুদ কার্ড দেয়া যাবে।
যদি কোনো ম্যাচ ডিসকানেক্ট হয়, তাহলে খেলোয়াড়দের ভিডিও রুলস সমাধানসহ সর্বোচ্চ ১৫ মিনিটের মধ্যে ডিসকানেকটেড প্লেয়ারকে রিম্যাচ শুরু করতে হবে। তবে যার উইন শো করবে সে চাইলে ঐ প্লেয়ারদ্বয়ের ক্যাটাগরি অনুযায়ী ডেডলাইন সময়ে রিম্যাচ টাইম নির্ধারণ করতে পারবে। রিম্যাচ টাইম নির্ধারণ না করে ১৫ মিনিটের মধ্যে কেউ রিম্যাচ শুরু করতে ব্যর্থ হলে অটো লস প্রাপ্য হবে।
ইন-ম্যাচে রেড কার্ড প্রাপ্ত কোনো প্লেয়ারকে ডিসকানেকটেড ম্যাচ উইন শো করলে রিম্যাচে ইন-ম্যাচ রেড কোনো প্রভাব ফেলবে না, উইন ব্যতীত অন্য যেকোনো কিছু শো করলে রিম্যাচে অপ্পনেন্ট ১ গোল বোনাস পাবে।
ম্যাচ মিনিট বাকি থাকা অবস্থায় অপ্পনেন্ট ম্যাচ সম্পন্ন করতে না চাইলে/না পারলে রেশিও অনুযায়ী বাকি মিনিটের জন্য অপ্পনেন্টের গোল কাউন্ট হবে। তবে সর্বোচ্চ ১০গোল। যেমন: ৬০ মিনিটে ৪-১ ম্যাচের স্কোর ৬-১, ৩০ মিনিটে ১-০ ম্যাচের স্কোর ৩-০ হিসেব হবে।
মূলত ম্যাচডে গ্রুপের পরিস্থিতি অনুযায়ী/অভিযোগের ভিত্তিতে শুধুমাত্র সতর্কতা দেয়া, কার্ড দেয়া, কার্ড না দেয়া কিংবা কার্ডের ধরন নির্ধারিত হবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী অরেঞ্জ কার্ডের পরিবর্তে ইয়োলো/রেড, ইয়োলো কার্ডের পরিবর্তে রেড কার্ড দেয়া হবে কিংবা শাস্তি মওকুফ করা হবে। কার্ড প্রদান করার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার পূর্ব সতর্কতা জানানো হবে না। নিজ ক্লাবের প্লেয়ারদের মধ্যে কিংবা অপ্পনেন্টের সাথে সখ্যতা বিনিময়ের কথোপকথনের ভাষাকে অনেকক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দিয়ে বিবেচনা করা হবে।
যেসব কারণে অরেঞ্জ কার্ড:
ম্যাচডে গ্রুপে যেকোনো ইস্যুতে যার ম্যাচ ব্যতীত ক্লাবের অন্য সকল প্লেয়ারের মেসেজ প্রদান করা কঠোরভাবে নিষেধ। কেউ এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে।
এগ্রেসিভ মেসেজ প্রদান করলে।
অযথা ঝামেলা সৃষ্টি করলে।
ম্যাচ শেষ করার দায়িত্ববোধের অভাব থাকলে।
অযথা মেসেজ স্পামিং করলে।
ম্যাচ অফিশিয়ালের নির্দেশনা অমান্য করলে।
অরেঞ্জ কার্ডের শাস্তি
প্লেয়ার হিসেবে অরেঞ্জ কার্ড দেয়া হলে উক্ত প্লেয়ারকে উক্ত ম্যাচডে গ্রুপ লীভ নিতে হবে ও ম্যাচ পেন্ডিং থাকলে সাব দিতে হবে। তবে ম্যাচ খেলে থাকলে রেজাল্ট অপরিবর্তিত থাকবে এবং সাব ডেডলাইন শেষে অরেঞ্জ কার্ড প্রদান করা হলে ডেডলাইনের পরেও সাব করা যাবে।
অরেঞ্জ কার্ডের জন্য পরবর্তী ম্যাচডেতে অংশগ্রহণ করতে কোনো সমস্যা হবে না।
যেসব কারণে ইয়োলো ও রেড কার্ড
ল্যাগ/স্লো প্রমাণ ব্যতীত ম্যাচ ডিসকানেকটেড হলে ইয়োলো কার্ড দেয়া যাবে ।
ড্র ম্যাচে দুইপক্ষ সঠিকভাবে ভিডিও দেয়ার পরে রিম্যাচের প্রস্তাব দেয়া ও সম্মতি দিলে ইয়োলো কার্ড দেয়া হবে এবং দুইপক্ষ রিম্যাচ খেললে রেড কার্ড দেয়া হবে। ড্র ম্যাচে যেকোনো একপক্ষ ১-০ লীড ব্যতীত অন্য কোনো রিম্যাচ হবে না ।
আচরণবিধি লঙ্ঘন, সময়ানুবর্তিতার অভাব, নিয়মাবলী সম্পর্কে অসচেতনতা কিংবা অসাধুতার আশ্রয় গ্রহণ করলে হলুদ বা লাল কার্ড দেয়া হবে।
গালাগালি করা, যে কোনো কারণে খারাপ শব্দ ব্যবহার করা, অপ্পনেন্টকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা, অযথা হাহা রিয়াক্ট দেয়া কিংবা প্রত্যক্ষ/পরোক্ষভাবে ঝামেলা সৃষ্টি করা আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে গন্য হবে।
ম্যাচডে গ্রুপে মেসেজ দিয়ে আনসেন্ট করা নিষেধ। সেক্ষেত্রে আনসেন্ট পরবর্তী ১০মিনিটের মধ্যে রিপোর্ট প্রদান করলে কার্ড প্রদান করা হতে পারে।
অফিশিয়ালের নির্দেশনা/আদেশ অমান্য করা/অসম্মান করা, অফিশিয়ালের মেসেজ/এক্টিভিটিতে হাহা রিয়্যাক্ট দেয়া, কমিটিকে অসম্মান করা আচরণবিধি লঙ্ঘন বলে গন্য হবে।
ম্যাচ রেফারিদের ক্ষেত্রে: রুলস সম্পর্কে ধারণা না রেখে দায়িত্ব গ্রহণ করলে/নিজ ক্লাবের প্লেয়ারদের ম্যানটেইন করতে ব্যর্থ হলে/ম্যাচডে গ্রুপে একদম অনুপস্থিত থাকলে/ম্যাচডে সম্পন্ন না করে গ্রুপ লীভ নিলে/ম্যাচ অফিশিয়াল অনুমতি ব্যতীত রেফারি পরিবর্তন করলে হলুদ বা লাল শাস্তি প্রদান করা হবে। প্রয়োজনে ম্যাচ রেফারি দায়িত্ব পালন থেকে ব্যান করা হবে।
ইয়োলো ও রেড কার্ডের শাস্তি
একই ম্যাচডেতে দুইবার ইয়োলো কার্ড পেলে রেড কার্ড।
ম্যাচ রেজাল্ট সম্পন্ন হবার আগে রেড কার্ড পেলে অটো লস। ম্যাচ রেজাল্ট সম্পন্ন হবার পর রেড কার্ড পেলে উক্ত ম্যাচ রেজাল্ট অপরিবর্তিত থাকবে।
ইয়োলো কার্ড রেজাল্ট সাবমিট থেকে পরবর্তী ১মাস পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। উক্ত সময়ের মধ্যে পুনরায় ইয়োলো কার্ড পেলে রেড কার্ড লিপিবদ্ধ হবে।
রেড কার্ডের জন্য ৭দিন ম্যাচ খেলার সুযোগ বন্ধ থাকবে।
ম্যাচ রেফারি, এডমিন ও অফিশিয়ালদের যেকোনো সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে কমিটি পরিবর্তন করতে পারবে।
কোনো ম্যাচডে এডমিন ও অফিশিয়ালদের যেকোনো সিদ্ধান্ত বিষয়ে ম্যাচডে শেষ হবার পরবর্তী ২৪ ঘন্টার মধ্যে “অভিযোগ ও সমাধান বক্স” মেসেঞ্জার গ্রুপে রিভিউ আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ঐ ম্যাচ রেজাল্ট হোল্ড করতে হবে। অভিযোগ পরবর্তী ১ থেকে সর্বোচ্চ ৭দিনের মধ্যে কমিটি থেকে বিষয়টি পুনরায় রিভিউ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়া হবে।
পুর্নাঙ্গ নিয়মাবলি জেনে নেয়া প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীর জন্য আবশ্যকীয় দায়িত্ব। কেউ দায়িত্বে অবহেলা করলে দায়ভার তার নিজের বর্তাবে এবং শাস্তির আওতায় নেয়া হবে। টুর্নামেন্ট সর্বদা রুলস অনুযায়ী তার নিজস্ব গতিতে এগিয়ে যাবে।